কলগার্ল এর সাথে রাত কাটাল বাংলাদেশী ক্রিকেটাররা
কলগার্ল এর সাথে রাত কাটাল বাংলাদেশী ক্রিকেটাররা । হোটেলের সিসি টিভিতে ধরা পড়ল । বিস্তারিত দেখুন-

Creative Hacks Wednesday, November 30, 2016
আকাশ থেকে পড়া সেই বিশাল বস্তুটি আসলে কি?

আকাশ থেকে পড়া সেই বিশাল বস্তুটি আসলে কি?

নভেম্বরের ১০ তারিখে থাইল্যান্ডের আকাশ থেকে পড়ল বিশাল এক বস্তু। পাহাড়বেষ্টিত প্রত্যন্ত অঞ্চলে পড়েছে অচেনা বসন্তুটি। একে নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে।

সিলিন্ডার আকৃতির জিনিসটি ১২ ফুট লম্বা। এর ডায়ামিটার ৫ ফুট। জেন মাইনের লোন খিন গ্রামে পড়েছে। গ্রামবাসীরা অনেক সকালে ঘুম থেকে উঠে পড়েছেন এর আওয়াজে। মাটিতে পড়ার আওয়ার ছিল মারাত্মক। কেউ অবশ্য আহত হননি। একে ফ্লাইং সসারের মতো আনআইডেন্টিফাইড ফ্লাইং অবজেক্ট হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। জেন খনির শ্রমিকদের পরিত্যক্ত তাঁবুর ওপর পড়েছে জিনিসটি।

ওই গ্রামের ড মা কাইয়ি দ্য মিয়ানমার টাইমসকে জানান, এটি পড়ার পর আমাদের বাড়ি কেঁপে উঠেছে। প্রথমে ভেবেছিলাম যুদ্ধ লেগে গেছে।
প্রথম দর্শনেই মনে হবে এটি কোনো এয়ারক্রাফ্ট থেকে পড়েছে। সম্ভবত একটি ইঞ্জিন। এর মধ্যে আমি তামার তার দেখেছি। বস্তুটির লেজের দিকে এমনটাই দেখা গেছে। এমনটাই জানান গ্রামের কো মাউং মাইয়ো। অনেকটা জেট ইঞ্জিন ব্লকের মতো দেখতে।
সরকারি কর্মকর্তারা বলেছেন, আমরা এখনও বস্তুটি চিহ্নিত করতে পারিনি। তবে বিশেষজ্ঞরা এটা নিয়ে গবেষণা করছেন। ফেসবুকে এর ছবি প্রচার করা হয়েছে। এটা অনেকটা ইউএফও'র মতো। কিংবা কোনো বাণিজ্যিক বিমানের অংশ।
এর আগের দিন চীন লং মার্চ রকেট ১১ উৎক্ষেপণ করেছে। পাঁচটি স্যাটেলাইট এবং পরীক্ষামূলক এক্স-রে পালসার নেভিগেশনসহ তা উৎক্ষেপণ করা হয়। এই ৫৩০ পাউন্ড ওজনের মহাকাশযানটিতে রয়েছে সোলার অ্যারাইস এবং দুটো ডিটেক্টর যা পালসার থেকে বেরিয়ে আসা এক্স-রে শনাক্ত করবে। এমন রকেট ও স্যাটেলাইটের অনেক অংশ থাকে যা অপ্রয়োজনীয় এবং এগুলো বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এসব বিচ্ছিন্ন অংশের আঘাতে কারো আহত হওয়ার সম্ভাবনা খুব কম। বিশেষ করে এগুলো পৃথিবীর মাটিতে পড়ে কাউকে আহত করার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। এগুলো মহাকাশেই ঘুরতে থাকে। সেখান থেকেই কোনো অংশ মিয়ানমারের আকাশ হয়ে পড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মহাকাশে এমন অনেক বাতিল যন্ত্রপাতি ঘুরে বেড়াচ্ছে। এক হিসাবে বলা হয়, মার্বেল আকৃতির বা বড় সাইজের ৫০ হাজার যান্ত্রিক আবর্জনা পৃথিবীকে কেন্দ্র করে ঘুরছে। এসব আবর্জনার মধ্যে ২০ হাজারের আকার হবে একটি বলের সমান। ২০১২ সালে সুইজারল্যান্ড এমন এক মহাকাশযান বানানোর প্রস্তাব করে যা কিনা এসব আবর্জনা পরিষ্কার করবে।
সূত্র : ফক্স নিউজ

Creative Hacks Tuesday, November 15, 2016
আর্জেন্টিনাকে উড়িয়ে শীর্ষেই বাজিল
বেলো হরিজন্তেতে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বিদের বিপক্ষে ৩-০ গোলের এই জয়ে প্রথমার্ধে লক্ষ্যভেদ করেন ফিলিপে কৌতিনিয়ো ও নেইমার। দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান বাড়ান পাওলিনিয়ো।

‘সুপার ক্লাসিকো’ ম্যাচের উত্তাপ অবশ্য বাংলাদেশ সময় শুক্রবার ভোর পৌনে ছয়টায় শুরু হওয়া এই ম্যাচের প্রথম ২০ মিনিটে পাওয়া যায়নি। এ সময় বল দখলে এগিয়ে ছিল আর্জেন্টিনাই।
২৩তম মেসির পাস থেকে লুকাস বিগলিয়ার জোরালো শট ডানে ঝাঁপিয়ে ঠেকান ব্রাজিল গোলরক্ষক আলিসন।
আর্জেন্টিনা প্রথম সুযোগটা কাজে লাগাতে না পারলে কি হবে, দুই মিনিট পর নিজেদের প্রথম সুযোগেই কৌতিনিয়োর দুর্দান্ত গোলে এগিয়ে যায় ব্রাজিল। নেইমারের পাস পাওয়ার পর আড়াআড়ি দৌড়ে দুই খেলোয়াড়কে এড়িয়ে ডি-বক্সের একটু বাইরে থেকে বুলেট গতির শট নেন লিভারপুলের এই তারকা। ওপরের ডান কোণা দিয়ে বল বল জালে জড়ায়। ঝাঁপিয়েও বলের নাগাল পাননি গোলরক্ষক সের্হিও রোমেরো।
৩৭তম মিনিটে মেসির ফ্রি-কিক দেয়ালে প্রতিহত হয়। পরের মিনিটে পাল্টা আক্রমণে বল নিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে পড়া নেইমার দুরূহ কোণ থেকে শট নিয়েছিলে, বল পোস্টের বাইরে দিকে লাগে।
৪২তম মিনিটে সমতা ফেরানোর সুযোগ পেয়েছিল অতিথরা। তবে আনহেল দি মারিয়ার বাড়ানো বলে ডি-বক্সের ভেতর থেকে ডিভেন্ডার এমানুয়েল মাসের নীচু শট দূরের পোস্টের বাইরে দিয়ে যায়।  
বিরতির ঠিক আগে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে ব্যবধান বাড়ান নেইমার। গাব্রিয়েল জেসুসের বাড়ানো বল ডি-বক্সে নিয়ন্ত্রণে নিতে ঠিক সময়ে দৌড় দিয়েছিলেন বার্সেলোনা ফরোয়ার্ড। গোলরক্ষক রোমেরোর পাশ দিয়ে ঠাণ্ডা মাথায় বল জালে পাঠিয়ে তুলে নেন জাতীয় দলের হয়ে তার ৫০তম গোলটি।
৫৫তম মিনিটে ডিফেন্ডারদের ভুলে বল নিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে গোলরক্ষকে কাটিয়ে প্লেসিং শট নিয়েছিলেন পাওলিনিয়ো। গোললাইন থেকে বল বিপদমুক্ত করে সে যাত্রা ব্যবধান বাড়াতে দেননি পাবলো সাবালেতা। পাল্টা আক্রমণে দি-মারিয়ার শট সাইড নেটে জড়ায়।
তবে তিন মিনিট পর ডিফেন্ডারদের বোঝাপড়ার ঘাটতিতে ঠিকই গোল পেয়ে যান পাওলিনিয়ো। মার্সেলোর ক্রসে বিপদমুক্ত করতে পারেননি মাস। রেনাতো আগুস্তোর কাটব্যাকে পাওলিনিয়োর শট ফুনেস মোরির পায়ে লেগে জালে জড়ায়।
৬৮তম মিনিটে নেইইমার ডি-বক্সে বল পেয়েছিলেন। সাবালেতা কর্নারের বিনিময়ে বিপদমুক্ত করেন।
৭৯তম মিনিটে পাওলিনিয়োর বাড়ানো বলে আবার ডি-বক্সে বিপজ্জনক জায়গায় বল পেয়েছিলেন নেইমার। গোলরক্ষক এগিয়ে এসে বলে কোনোরকমে হাত ছুঁইয়ে কর্নারের বিনিময়ে বিপদমুক্ত করেন।
৮৫তম মিনিটে ডান দিক থেকে রেনাতোর ক্রসে খুব কাছ থেকেও বদলি হিসেবে নামা ফিরমিনো পা ছোঁয়াতে না পারায় ব্যবধান আর বাড়েনি।
১১ ম্যাচে ২৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষেই থাকল ব্রাজিল। ১৬ পয়েন্ট নিয়ে ষষ্ঠ স্থানে থাকা আর্জেন্টিনা আছে বিশ্বকাপের মূল পর্বে না যেতে পারার শঙ্কায়।
দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চল থেকে শীর্ষ চার দল সরাসরি খেলব রাশিয়া বিশ্বকাপে। পঞ্চম দলটিকে প্লে-অফ খেলতে হবে ওশিয়ানিয়া অঞ্চলের সেরা দলের সঙ্গে। 

Creative Hacks Thursday, November 10, 2016
মারুফের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ঢাকার জয়


 

মঙ্গলবারের দ্বিতীয় ম্যাচে সাকিবের দলের জয় ৮ উইকেটের। 


মঙ্গলবার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শাহরিয়ার নাফীস ও মুশফিকের অর্ধশতকে ৬ উইকেটে ১৪৮ রান করে বরিশাল। জবাবে ১৬ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌছে যায় ঢাকা।
লক্ষ্য তাড়ায় ঢাকাকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন মারুফ। তাকে সঙ্গ দিয়ে যান শ্রীলঙ্কান ব্যাটিং কিংবদন্তি সাঙ্গাকারা।
আল আমিন হোসেনের দ্বিতীয় বলে মনোভাব জানিয়ে দেন মারুফ। টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের অন্যতম সেরা বোলারের পরের ওভারে আরেকটি ছক্কা হাঁকান এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান, যা গিয়ে পড়ে পূর্ব গ্যালারির উপরের অংশে।
মারুফের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে ৪.১ ওভারে আসে ঢাকার অর্ধশতক। এমন সূচনা পাওয়ার পর আর পিছনে তাকাতে হয়নি দলটিকে।
ব্যক্তিগত ২৩ রানে আল আমিনকে সহজ ক্যাচ দিয়ে বেঁচে যান নিজের সহজাত ক্রিকেট খেলা সাঙ্গাকারা। ২৯ রানে বেঁচে যান ফিল্ডার অনেক সময় পেয়েও থ্রো স্টাম্পে রাখতে না পারায়। অবশেষে তাইজুল ইসলাম আক্রমণে এসে বিদায় করেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যানকে।
৮.৪ ওভারের উদ্বোধনী জুটিতে সাঙ্গাকারার অবদান ৩০ রান।
৩০ বলে অর্ধশতকে পৌঁছানো মারুফ ছক্কা হাঁকান স্পিনে মুশফিকের তিন ভরসা তাইজুল, মনির হোসেন খান ও দিলশান মুনাবিরার বলে। তিন নম্বরে নামা সাকিব ২০ রানের এক ইনিংস খেলে ফিরেন।

তরুণ মোসাদ্দেক হোসেন ষোড়শ ওভারের শেষ বলে আল আমিনকে চার হাঁকিয়ে দলকে জয় এনে দেওয়ার সময় মারুফ অপরাজিত ৭৫ রানে। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এটাই তার প্রথম অর্ধশতক। ২৮ বছর বয়সী এই ক্রিকেটারের ৪৫ বলের ইনিংসে ছিল পাঁচটি করে ছক্কা ও চার।
এর আগে দিলশান মুনাবিরা-শামসুর রহমান ভালো সূচনা এনে দিতে পারেননি বরিশালকে। তৃতীয় ওভারেই ভাঙে উদ্বোধনী জুটি। মোহাম্মদ শহীদের বলে মেহেদী মারুফের ক্যাচে ফিরে যান শামসুর।
শ্রীলঙ্কান উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান মুনাবিরা ফিরেন ডোয়াইন ব্রাভোর বলে নাসির হোসেনের দুর্দান্ত এক ক্যাচে। পয়েন্টে ঝাঁপিয়ে এক হাতে ক্যাচ জমান দেশের অন্যতম সেরা ফিল্ডার।
নিজের প্রথম ওভারেই উইকেট পেতে পারতেন সাকিব আল হাসান। তার বলে ডেভিড মালানকে ৪ রানে জীবন দেন উইকেটরক্ষক কুমার সাঙ্গাকারা। সেই ওভারে বিশাল এক ছক্কা হাঁকানো মালান শেষ পর্যন্ত ফিরেন সাকিবের বলেই, ব্রাভোকে ক্যাচ দিয়ে।
অষ্টম ওভারে ৪৪ রানে প্রথম তিন ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে চাপে পড়া বরিশাল ঘুরে দাঁড়ায় মুশফিক ও শাহরিয়ারের ব্যাটে।
আলাউদ্দিন বাবুর করা দ্বাদশ ওভারে ১৭ রান নিয়ে রানের গতি বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দেন মিডলঅর্ডারের দুই ব্যাটসম্যান। সাকিবের এক ওভারে ছক্কা-চারে ১২ রান নেন শাহরিয়ার। চড়াও হওয়া এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যানকে বিদায় করেন শহীদ। অফ স্টাম্পের বাইরের বল স্টাম্পে টেনে আনেন শাহরিয়ার।
৩১ বলে অর্ধশতকে পৌঁছানো শাহরিয়ার শেষ পর্যন্ত ফিরেন ৫৫ রানে। তার ৩৪ বলের ইনিংসটি ৭টি চার ও দুটি ছক্কায় সাজানো।

৮.৩ ওভার স্থায়ী ৮২ রানের জুটি ভাঙার পর রানের গতিতেও ভাটা পড়ে। শেষের ঝড়ের দুই ভরসা থিসারা পেরেরা, রায়াদ এমরিট ফিরেন দ্রুত। শেষ পর্যন্ত অধিনায়কের দৃঢ়তায় দেড়শ’ রানে কাছাকাছি লক্ষ্য দেয় বরিশাল। ৩৬ বলে মুশফিকের অপরাজিত ৫০ রানের ইনিংসে রয়েছে ৪টি চার ও দুটি ছক্কা।
২১ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ঢাকার সেরা বোলার শহীদ। এই ম্যাচে নয় জন বোলারকে বোলিংয়ে আনেন অধিনায়ক সাকিব।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
বরিশাল বুলস: ২০ ওভারে ১৪৮/৬ (শামসুর ৬, মুনাবিরা ১২, মালান ১৬, মুশফিক ৫০*, শাহরিয়ার ৫৫, থিসারা ৩, এমরিট ১, মারুফ ২*; শাহীদ ৩/২১, রাসেল ০/১০, সাকিব ১/২৩, ব্রাভো ১/২৬, নাসির ০/৮, বোপারা ১/২৩, সানজামুল ০/৭, আলাউদ্দিন ০/১৭, মোসাদ্দেক ০/১২)
ঢাকা ডায়নামাইটম: ১৬ ওভারে ১৪৯/২ (মারুফ ৭৫*, সাঙ্গাকারা ৩০, সাকিব ২০, মোসাদ্দেক ১০*; আল আমিন ০/৩৫, মনির ১/২৩, মেহেদি ০/১৩, এমরিট ০/২১, থিসারা ০/১৬, মুনাবিরা ০/২২, তাইজুল ১/১৪)
ফল: ঢাকা ৮ উইকেটে জয়ী
ম্যান অব দ্য ম্যাচ: মেহেদী মারুফ

Creative Hacks Tuesday, November 8, 2016
চ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে শুরু তামিমের চিটাগংয়ের
চ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে শুরু তামিমের চিটাগংয়ের

Creative Hacks
বাংলাদেশের জয়ের দিনে আবারো অভিন্ন কথা বললেন ভারতীয় ক্রিকেটার অশ্বিন!
অ্যালিস্টার কুক ও বেন ডাকেটের শতরানের উদ্বোধনী জুটির পর জয়ের পাল্লাটা ভারি ছিল ইংল্যান্ডের পক্ষে। কিন্তু তা হলো কোথায়? প্রথম উইকেট পতনের পর এক সেশনেই অলআউট ইংল্যান্ড। মিরাজ ও সাকিবের তাণ্ডবে ১৬৪ রানে থামে ইংলিশদের ইনিংস।
এমন দৃশ্য দেখে মিরপুরের উইকেটকে ‘রহস্যময়’ উল্লেখ করেন ভারতের তারকা স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন। টুইট বার্তায় তিনি জানান, ‘মিরপুরের উইকেট যে কোনো সফরকারী দলের খেলার জন্য সবচেয়ে রহস্যময় ভেন্যুতে পরিণত হয়েছে। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বলতে এমনটাই।’
সামনে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ খেলবে ভারত। বাংলাদেশের বিপক্ষেও টেস্ট খেলবে দেশটি। তাই হয়তো মিরপুরের টেস্টে নজর রেখেছিলেন অশ্বিন।

Creative Hacks Sunday, October 30, 2016
বিপিএলের টিকেট ৩ ওয়েবসাইটে
www.shohoz.com এর পাশাপাশি বিপিএলের টিকেট পাওয়া যাবে www.paypoint.com.bd ও www.gadgetbangla.com ওয়েবসাইটে।

অনলাইনের পাশাপাশি মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়ামের টিকেট বুথেও কিনতে পাওয়া যাবে টিকেট।
বিপিএল টিকেটের সর্বোচ্চ মূল্য এবার গ্র্যান্ড স্ট্যান্ডে ২ হাজার টাকা। ভিআইপি স্ট্যান্ড, শহীদ জুয়েল ও শহীদ মুশতাক স্ট্যান্ডের টিকেট ৫০০ টাকা, নর্দান ও সাউদার্ন স্ট্যান্ড ৩০০ টাকা, ইস্টার্ন স্ট্যান্ড ২০০ টাকা।
টিকেটের এই মূল্য শুধু মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের জন্য। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের টিকেটের মূল্য জানানো হবে পরে।
আগামী শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে বিপিএলের চতুর্থ আসর।

Creative Hacks

Follow Us