বাংলাদেশের জয়ের দিনে আবারো অভিন্ন কথা বললেন ভারতীয় ক্রিকেটার অশ্বিন!

অ্যালিস্টার কুক ও বেন ডাকেটের শতরানের উদ্বোধনী জুটির পর জয়ের পাল্লাটা ভারি ছিল ইংল্যান্ডের পক্ষে। কিন্তু তা হলো কোথায়? প্রথম উইকেট পতনের পর এক সেশনেই অলআউট ইংল্যান্ড। মিরাজ ও সাকিবের তাণ্ডবে ১৬৪ রানে থামে ইংলিশদের ইনিংস।
এমন দৃশ্য দেখে মিরপুরের উইকেটকে ‘রহস্যময়’ উল্লেখ করেন ভারতের তারকা স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন। টুইট বার্তায় তিনি জানান, ‘মিরপুরের উইকেট যে কোনো সফরকারী দলের খেলার জন্য সবচেয়ে রহস্যময় ভেন্যুতে পরিণত হয়েছে। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বলতে এমনটাই।’
সামনে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ খেলবে ভারত। বাংলাদেশের বিপক্ষেও টেস্ট খেলবে দেশটি। তাই হয়তো মিরপুরের টেস্টে নজর রেখেছিলেন অশ্বিন।

Creative Hacks Sunday, October 30, 2016
বিপিএলের টিকেট ৩ ওয়েবসাইটে

www.shohoz.com এর পাশাপাশি বিপিএলের টিকেট পাওয়া যাবে www.paypoint.com.bd ও www.gadgetbangla.com ওয়েবসাইটে।

অনলাইনের পাশাপাশি মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়ামের টিকেট বুথেও কিনতে পাওয়া যাবে টিকেট।
বিপিএল টিকেটের সর্বোচ্চ মূল্য এবার গ্র্যান্ড স্ট্যান্ডে ২ হাজার টাকা। ভিআইপি স্ট্যান্ড, শহীদ জুয়েল ও শহীদ মুশতাক স্ট্যান্ডের টিকেট ৫০০ টাকা, নর্দান ও সাউদার্ন স্ট্যান্ড ৩০০ টাকা, ইস্টার্ন স্ট্যান্ড ২০০ টাকা।
টিকেটের এই মূল্য শুধু মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের জন্য। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের টিকেটের মূল্য জানানো হবে পরে।
আগামী শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে বিপিএলের চতুর্থ আসর।

Creative Hacks
বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে অভিনন্দন রাষ্ট্রপতির

ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলকে দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচে হারিয়ে সিরিজে সমতা আনায় বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।
এক অভিনন্দন বার্তায় রাষ্ট্রপতি বলেন, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে ইংল্যান্ডের মতো শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে টেস্ট ক্রিকেটে জয় এক অনন্য প্রাপ্তি।
জাতীয় ক্রিকেট দলের সকল খেলোয়াড়, ম্যানেচার, কোচ ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কর্মকর্তাদেরও অভিনন্দন জানান রাষ্ট্রপ্রধান।

Creative Hacks
সৌদি প্রিন্সের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

Creative Hacks Thursday, October 20, 2016
দর্শকের সামনেই অভিনেত্রীর বুকে চুমু!

গেম শো চলাকালীন আচমকাই অভিনেত্রীর বুকে চুমু দিলেন সঞ্চালক। অনুষ্ঠান চলাকালীন আচমকা কী করে অভিনেত্রীর বুকে চুমু দিতে পারেন সঞ্চালক, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
সম্প্রতি সোস্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে.  সেখানে দেখা যাচ্ছে, ফ্রান্সের একটি জনপ্রিয় শোয়ের সঞ্চালক আচমকাই অভিনেত্রী সরোয়ার বুকে চুমু দেন।  
দেখা যায়, ওই শো-এর সঞ্চালক প্রথমে সরোয়ার মুখে চুমু দিতে চান। কিন্তু, তা না পেরে, এরপর সঞ্চালক মায়রে ওই অভিনেত্রীর বুকে চুমু দিয়ে দেন। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই তোলপাড় শুরু হয়েছে সোস্যাল মিডিয়ায়।

Creative Hacks Wednesday, October 19, 2016
কৃষ্ণসার হত্যা মামলা : সালমানের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে রাজস্থান সরকার

কৃষ্ণসার হত্যা ও চিনকারা শিকার মামলায় অভিনেতা সালমান খানকে অবিলম্বে হাজতে পোরা উচিত। আজ সুপ্রিম কোর্টের কাছে এই দাবি জানাল রাজস্থান সরকার।
জুলাইয়ে কৃষ্ণসার হত্যা ও চিনকারা শিকার মামলা বেকসুর খালাস পান সালমান খান। তাঁকে বেকসুর ঘোষণা করে রাজস্থানের হাইকোর্ট। উচ্চ আদালতের সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে আজ শীর্ষ আদালতে আপিল করে রাজ্য প্রশাসন। আদালতে সরকারের আইনজীবীরা জানান, অভিনেতার তরফে দাবি করা হয়েছিল, ঘটনার মূল সাক্ষী আদালতে হাজির হয়নি। তাই সালমানের বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ নেই। কিন্তু, এবার পালটা জেরার দাবি জানান সরকারি আইনজীবী।
১৯৯৮ সালে ‘হাম সাথ সাথ হ্যায়’ ছবির শ্যুটিংয়ে গিয়ে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির দুই হরিণ হত্যার অভিযোগ ওঠে সালমানের বিরুদ্ধে। দুটি মামলায় অভিযুক্ত তারকাকে এক বছর ও পাঁচ বছরের সাজা শুনিয়েছিল। কিন্তু, হাইকোর্টে আপিল করেন সালমান খান। জুলাই মাসে রাজস্থানের হাইকোর্ট জানিয়ে দেয়, প্রমাণের অভাবে সালমান খানকে বেকসুর খালাস করা হয়।

Creative Hacks
এক নজরে বিপিএল ৪ এর চূড়ান্ত সময়সূচ


ঢাকা পর্ব 
৪-১১-২০১৬ ( ২:৩০) কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ও রাজশাহী কিংস 
৪-১১-২০১৬ (৭ঃ০০) রংপুর রাইডার্স ও খুলনা টাইটানস 
৫-১১-২০১৬ ( ২ঃ৩০) চিটাগাং ভাইকিংস ও বরিশাল বুলস 
৫-১১-২০১৬ ( ৭ঃ০০) কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ও ঢাকা ডাইনামাইটস
৬-১১-২০১৬ ( ২ঃ৩০) রংপুর রাইডার্স ও রাজশাহী কিংস
৬-১১-২০১৬ ( ৭ঃ০০) বরিশাল বুলস ও খুলনা টাইটানস
৮-১১-২০১৬ ( ২ঃ৩০) ঢাকা ডাইনামাইটস ও বরিশাল বুলস
৮-১১-২০১৬ (৭ঃ০০) চিটাগাং ভাইকিংস ও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স
৯-১১-২০১৬ ( ২ঃ৩০) খুলনা টাইটানস ও রাজশাহী কিংস
৯-১১-২০১৬ (৭ঃ০০) রংপুর রাইডার্স ও চিটাগাং ভাইকিংস
১১-১১-২০১৬( ২ঃ৩০) কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ও বরিশাল বুলস
১১-১১-২০১৬ (৭ঃ০০) ঢাকা ডাইনামাইটস ও রাজশাহী কিংস
১২-১১-২০১৬( ২ঃ৩০) খুলনা টাইটানস ও চিটাগাং ভাইকিংস
১২-১১-২০১৬( ৭ঃ০০) রংপুর রাইডার্স ও ঢাকা ডাইনামাইটস
১৩-১১-২০১৬( ২ঃ৩০) বরিশাল বুলস ও রাজশাহী কিংস
১৩-১১-২০১৬( ৭ঃ০০) কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ও খুলনা টাইটানস
চট্রগ্রাম পর্ব
১৭-১১-২০১৬( ২ঃ৩০) চিটাগাং ভাইকিংস ও ঢাকা ডাইনামাইটস
১৭-১১-২০১৬ (৭ঃ০০) বরিশাল বুলস ও রংপুর রাইডার্স
১৮-১১-২০১৬( ২ঃ৩০) চিটাগাং ভাইকিংস ও রাজশাহী কিংস
১৮-১১-২০১৬( ৭ঃ০০) কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ও রংপুর রাইডার্স
১৯-১১-২০১৬( ২ঃ৩০) ঢাকা ডাইনামাইটস ও খুলনা টাইটানস
১৯-১১-২০১৬( ৭:০০) চিটাগাং ভাইকিংস ও বরিশাল বুলস
২১-১১-২০১৬( ২:৩০) ঢাকা ডাইনামাইটস ও রাজশাহী কিংস
২১-১১-২০১৬ (৭ঃ০০) কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ও চিটাগাং ভাইকিংস
২২-১১-২০১৬( ২ঃ৩০) খুলনা টাইটানস ও রংপুর রাইডার্স
২২-১১-২০১৬( ৭ঃ০০০ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ও রাজশাহী কিংস
.
ঢাকা:পর্ব ২
২৫-১১-২০১৬( ২:৩০) রংপুর রাইডার্স ও রাজশাহী কিংস
২৫-১১-২০১৬( ৭ঃ০০) বরিশাল বুলস ও খুলনা টাইটানস
২৬-১১-২০১৬ (২:৩০) কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ও ঢাকা ডাইনামাইটস
২৬-১১-২০১৬( ৭ঃ০০) খুলনা টাইটানস ও রাজশাহী কিংস
২৭-১১-২০১৬ (২:৩০) বরিশাল বুলস ও ঢাকা ডাইনামাইটস
২৭-১১-২০১৬ (৭ঃ০০) রংপুর রাইডার্স ও চিটাগাং ভাইকিংস
২৯-১১-২০১৬ (২:৩০) কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ও বরিশাল বুলস
২৯-১১-২০১৬ (৭ঃ০০) খুলনা টাইটানস ও চিটাগাং ভাইকিংস
৩০-১১-২০১৬ (২:৩০) রংপুর রাইডার্স ও ঢাকা ডাইনামাইটস
২-১২-২০১৬ (২:৩০) রংপুর রাইডার্স ও বরিশাল বুলস স
২-১২-২০১৬ (২:৩০) রংপুর রাইডার্স ও বরিশাল বুলস
২-১২-২০১৬ (৭ঃ০০) ঢাকা ডাইনামাইটস ও চিটাগাং ভাইকিংস
৩-১২-২০১৬ ( ২:৩০) কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ও খুলনা টাইটানস
৩-১২-২০১৬ ( ৭ঃ০০) রাজশাহী কিংস ও চিটাগাং ভাইকিংস
৪-১২-২০১৬ ( ২:৩০) কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ও রংপুর রাইডার্স
৪-১২-২০১৬ (৭ঃ০০ )ঢাকা ডাইনামাইটস ও খুলনা টাইটানস
৬-১২-২০১৬ (২:৩০) এলিমিনেটর
৬-১২-২০১৬ ( ৭ঃ০০) প্রথম কোয়ালিফায়ার
৮-১২-২০১৬ (৭ঃ০০) বিপিএল ২০১৬ দ্বিতীয় কয়ালিফায়ার
১০- ১২-২০১৬ ( ৬ঃ৩০) বিপিএল ৪ ফাইনাল

Creative Hacks Tuesday, October 18, 2016
বাজারে আসছে স্যামসাং গ্যালাক্সি সি ৯

নেক্সট জেনারেশন স্মার্টফোন Galaxy C9 বাজারে আনছে Samsung। দক্ষিণ কোরীয় সংস্থাটির নয়া স্মার্টফোনের ফার্স্ট লুক ও ফিচার ফাঁস হয়ে গিয়েছে টুইটারে৷ একইসঙ্গে ফাঁস হয়ে গেছে গ্যালাক্সি 'সি ৯ প্রো'- মডেলের ছবিও৷

প্রথম ছবি দেখে অবশ্য কোনও মডেলরই ফিচার বোঝার বিশেষ উপায় নেই৷ তবে একটি চিনা ওয়েবসাইটের দাবি, সি ৯ মডেলে থাকতে পারে স্ন্যাপড্রাগন ৬৫২ প্রসেসর, ৬ জিবি র‍্যাম, ৬৪ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ, ১৬ মেগাপিক্সেল রিয়ার ও ফ্রন্ট ক্যামেরা৷

ওয়েবসাইটটির আরও দাবি, অ্যান্ড্রয়েড ৬.০.১ মার্শমেলো আপডেট-নির্ভর সি ৯ হ্যান্ডসেটটির ব্যাটারি ৪০০০ এমএএইচ-এর হতে পারে৷ ১৮৫ গ্রাম ওজনের এই মডেলটি ফোর-জি এলটিই সাপোর্টেড৷ ইউজারদের ডেটা সুরক্ষিত রাখতে থাকবে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর৷ দাম কত হতে পারে তা এখনও জানা যায়নি৷ সি ৯ প্রো হ্যান্ডসেটের ফিচার জানতে হলে আরও কয়েকদিন অপেক্ষা করা ছাড়া উপায় নেই

Creative Hacks Monday, October 17, 2016
ভারতে চীনা দ্রব্য নিষিদ্ধ হোক: রামদেব

কূটনৈতিকভাবে চীন যেভাবে বারবার পাকিস্তানের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে, তাতে ক্ষুব্ধ ভারতবাসী৷ প্রশাসনিক তরফে সরাসরি চীনের উদ্দেশ্যে কিছু বলা না হলেও, চীনা দ্রব্য বয়কটের ডাক উঠেছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়৷ এবার সেই সুর শোনা গেল যোগগুরু রামদেবের কথাতেও৷ চীনা দ্রব্য বয়কটেরই ডাক দিলেন তিনি। 

চীনের বাধাতেই এলিট পরমাণু ক্লাব এনএসজি-তে প্রবেশ করতে পারেনি ভারত৷ সেবারও পাকিস্তানের তোলা অভিযোগে সায় দিয়েই ভারতের আশা কার্যত শেষ করেছিল চীন৷ এছাড়াও সন্ত্রাস প্রশ্নে বারবার পাকিস্তানের পাশে এসেই দাঁড়িয়েছে চীন৷ উরি পরবর্তী সময়ে জৈশ নেতা মাসুদ আজহারকে জঙ্গি ঘোষণার ক্ষেত্রেও বাধা দিয়েছে চীন৷ ব্রিকস সম্মেলনে নাম না করে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে যখন পাকিস্তানকে সন্ত্রাসের আঁতুড়ঘর হিসেবে তুলে ধরেছেন, তখনও পাকিস্তানের পিঠ বাঁচাতে আসরে নেমেছে চীন৷ চীন নিজের নিরপেক্ষ অবস্থান আন্তর্জাতিক মহলের সামনে স্পষ্ট করতে চাইলেও, আদতে পাকিস্তানের প্রতি সে দেশের পক্ষপাতিত্ব কোনোভাবেই গোপন থাকছে না৷ 

প্রশাসনিকভাবে কোনো বিবৃতি না দিলেও, চীনকে সমুচিত শিক্ষা দেয়ার রাস্তা যে চীনের সঙ্গে ব্যবসা বন্ধ করা সে বিষয়ে একমত সারা দেশবাসী৷ কিন্তু সরকারিভাবে সে সিদ্ধান্ত নেয়া এখনই সম্ভব নয়৷ কেননা চীনের সঙ্গে এই মুহূর্তে প্রায় ৪.৫ লাখ কোটি টাকার ব্যবসা হয় ভারতে৷ কিন্তু চীনা দ্রব্য বয়কট করে ভারতে চীনের বাজারকে সংকুচিত করার ভাবনা নিয়েছিল দেশবাসী৷ সেইমতো দীপাবলির শুরুতে চীনা বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বয়কট করার জন্য লাগাতার প্রচার চলেছিল৷ সে প্রচারে অন্তত ২০ শতাংশ বিক্রি কমেছে৷ চীনা নকল ডিম রুখতেও নানা প্রচার চলে সোশ্যাল মিডিয়ায়৷ 

নাগরিকদের সঙ্গে সহমত পোষণ করলেন যোগগুরু তথা "পতঞ্জলি" সংস্থার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর বাবা রামদেব৷ দ্বিধাহীনভাবেই তিনি জানালেন, চীনা দ্রব্য বয়কট করেই চীনকে শিক্ষা দিতে হবে৷ আর তাই এ দেশে চীনা দ্রব্য নিষিদ্ধ করার দাবি জানালেন তিনি।

Creative Hacks
মাশরাফি ম্যাজিকে টাইগারদের অসাধারণ ফেরা

বাংলাদেশ : ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৩৮
ইংল্যান্ড : ৪৪.৪ ওভারে ২০৪
ফল : বাংলাদেশ ৩৪ রানে জয়ী।
'মাশরাফি বিন মুর্তজা' একটা মিথ। একটা রূপকথা। মাশরাফি মানে প্রাণ সঞ্জিবণী সুধা। মাশরাফি মানে অনুমিত সবকিছু মিথ্যে প্রমাণ করে দেওয়া। মাশরাফি মানে আরো কতো কি তা এখন জিজ্ঞেস করুন ইংল্যান্ড দলকে! ওরাই বলতে পারবে সবচেয়ে বেশি। কারণ, মাশরাফি ম্যাজিকের সর্বশেষ শিকার যে তারাই! ইংলিশদের বিপক্ষে হারতে বসা সিরিজে তাই ১-১ সমতা। এই সিরিজটাও এখন জিততে পারে বাংলাদেশ!
অধিনায়ক মাশরাফি, মানুষ মাশরাফি কিংবা ব্যাটসম্যান মাশরাফি অথবা বোলার মাশরাফি। সব চরিত্রেই পরিপূর্ণ একজন মাশরাফি। অবিশ্বাস্য হারের পরও বিশ্বাস ফেরাতে তাই মনোবিদ লাগে না! একজন মাশরাফি সামনে থেকে নিজ হাতে একের পর এক কাজ করে পথ দেখান। বুঝিয়ে দেন, এভাবেই ঘুরে দাঁড়াতে হয়। লড়তে হয় বাঘের মতো। বিশ্বাস হারানো পাপ। আর বিশ্বাস থাকলে সবই সম্ভব। এই তো ৩১০ রানের টার্গেট তাড়া করে ৪ উইকেটে ২৭১ রান করেও অবিশ্বাস্য হার প্রথম ম্যাচে। মনোবলে তাতে প্রবল ধাক্কা লাগার কথা। বাঁচা-মরার ম্যাচে তারপর ব্যাটিংয়ে ঝুঁজতে থাকা। সেখানেও ব্যাট হাতে ঝড়। ২৯ বলে ৪৪ রানের ওই ইনিংসই তো ৮ উইকেটে ২৩৮ রানের ইনিংসের মূল অক্সিজেন। যাকে লড়াইয়ের পুঁজি করে জয়ের মধ্যে থাকা ইংলিশদের কাছ থেকে জয় ছিনিয়ে আনা।
একবার মনে হয়েছিল ২০০ রানও হবে না। ৭৫ রান করে ফেরার পর মাহমুদ উল্লাহর হতাশাটা তাই খুব যৌক্তিক ছিল। অসাধারণ দায়িত্বশীলতার পরিচয় তিনি দিয়েছেন ব্যাট হাতে। গড়েছেন ৫০ এর মাঝে দুট জুটি। কিন্তু গেল কয়েক ম্যাচে শেষে ধসে পড়া বাংলাদেশকে নিজের হাতে বদলালেন মাশরাফি। তিনি লিস্ট 'এ' ক্রিকেটে বাংলাদেশের দ্রুততম সেঞ্চুরিয়ান। হালে না থাকলেও ব্যাট হাতে এক সময় জেতানোর ইতিহাস আছে মাশরাফির। ফিরে আসা নাসির হোসেনকে (২৭ বলে অপরাজিত ২৭) নিয়ে ৪৯ বলে ইনিংস সর্বোচ্চ ৬৯ রানের অষ্টম উইকেট জুটি মাশরাফির। ২৯ বলে তিন ছক্কা ২ চারে তার ৪৪ রানের গল্প অনেক দিন মুখে মুখে ঘুরবে। এরপর প্রথম স্পেল ৬-০-২১-৩। ম্যাচের শেষে যা ৮.৪-০-২৯-৪। ম্যান অব দ্য ম্যাচ মাশরাফি ছাড়া আর কে!
অধিনায়কের ব্যাট বোলারদের নির্ভরতা দিল। শেষ ওভারের পঞ্চম বলে আউট হয়েছিলেন মাশরাফি। ফিরে প্যাড-ট্যাড বদলে আবার ঝাঁপিয়ে পড়া বোলিং শ্যু পরে। এরপর দ্রুতই বোলার-ফিল্ডার-সমর্থকদের মাঝে জয়ের বিশ্বাসটা ছড়িয়ে দেওয়া। দেখতে না দেখতে ২৬ রানে শীর্ষ ৪ ব্যাটসম্যান নেই ইংল্যান্ডের। মাশরাফি চার ওভারের মধ্যে তিন উইকেট নেন মহা দাপটে। জ্যাসন রয়ই (১৩) কেবল দুই অঙ্কে যান। নতুন বলে ইনিংস ওপেন করা সহ অধিনায়ক সাকিব আল হাসান অসাধারণ স্পিনে বেন ডাকেটকে শূণ্য হাতে ফেরালেন। ইংলিশরা কাঁপতে থাকে।
কিন্তু 'বৃটিশ ইগো' বলে কথা! ৯.৪ ওভারে ৪ উইকেট হারানোর পর ২৩.৩ ওভার পর্যন্ত বাংলাদেশের হতাশা। অধিনায়ক জস বাটলার (৫৭) জনি বেয়ারস্টোকে (৩৫) নিয়ে রুখে দাঁড়ান। স্টেডিয়ামে ব্যাটিংয়ের সময়ের নিস্তব্ধতা আবার। বদলী তাসকিন আহমেদও প্রথম স্পেলের দুই ওভারের শেষটায় তিনটা বাউন্ডারির মার খেয়ে যান বাটলারের কাছ থেকে। কিন্তু ৬ ওভার পরই আবার মাশরাফি বল তুলে দেন ভক্তদের 'ম্যাশকিন' এর হাতে।
এবার একা হাতেই যেন ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার পণ নিষেধাজ্ঞা থেকে ফিরে তখনো উল্লেখযোগ্য কিছু করত না পারা তরুণ হার্টথ্রব বোলার। বেয়ারস্টো লাফিয়ে ওঠা এক বীষধর ফনায় ব্যাট লাগান। জুটি ভাঙার উল্লাসে মাতে দল। যার অফ স্পিনের ওপর ভরসা করা হয়েছিল সেই নাসিরের বলে সাকিব অসাধারণ ক্যাচ নেন দৌড়ে। ফিল্ডাররাও জান বাজি রাখেন এদিন। মঈন আলি (৪) নেই। তাসকিন এবার পথের সবচেয়ে বড় কাঁটা বাটলারকে তুলে নেন। আপিলে সাড়া দেন না আম্পায়ার। মাশরাফি রিভিউ নেন। আম্পায়ার সিদ্ধান্ত বদলান। এলবিডাব্লিউ। উল্লসিত মাহমুদ উল্লাহর দিকে তেড়ে যান বাটলার! বাংলাদেশ আসলে এখানেই জিতে গেল বড় দলীয় মানসিকতায়। যখন তখন খেলার মোড় ঘুরাতে জানে তারা।
তাসকিনই ৩০তম ওভারে ক্রিস ওকসকে তৃতীয় শিকার বানিয়ে ফেলেন। ২৭ রানে ৪ উইকেট পড়লো। ১৩২ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে ইংল্যান্ডের ফেরার পথ রুদ্ধ! ইংল্যান্ড দলে শেষ পর্যন্ত অল-রাউন্ডার। কিন্তু অতিমানব তো তারা নন! শেষ দুই উইকেটে ১০৭ রান!
তবু শেষ জুটিতে ম্যাচের টানটান ম্যাচের উত্তেজনা অনেকটাই ফিরে আসে আদিল রশিদ (অপরাজিত ৩৩) ও জেক বলের (২৮) শেষ উইকেট জুটিতে। ৩৭ বলে ৪৫ এল। কিন্তু মাশরাফির হাতেই গল্পের শেষটা লেখার ছিল ক্রিকেট বিধাতার! সাথে তার ব্যাটিং পার্টনার নাসিরও থাকলেন। মাশরাফির কাটারে মেরে নাসিরের হাতে গিয়ে ধরা পড়লেন বেল। ক্যাপ্টেনের বলেই টাইগারদের মধুর সমাপয়েৎ!
এই রিপোর্টে মাশরাফির গল্পটাই হল বেশি। এমন দিনে 'ক্যাপ্টেন'কে পুরোটা দিতে নিশ্চয়ই কার্পণ্য থাকার কথা না টাইগার দলের! এটা যে ক্যাপ্টেনেরই ম্যাচ!

Creative Hacks Sunday, October 9, 2016
বার্সার লজ্জার হারে গোলকিপারের ক্ষমা প্রার্থনা

রবিবার লা লিগায় সেল্টা ভিগোর বিরুদ্ধে অ্যাওয়ে ম্যাচটা ছিল তাঁর ফুটবলজীবনের ৬০০তম ম্যাচ। আন্দ্রে ইনিয়েস্তা নিশ্চয়ই ভুলতে চাইবেন! সেল্টা ভিগোর বিরুদ্ধে লজ্জার হারের পর বার্সেলোনা লা লিগার টেবিলে চার নম্বরে নেমে গেল!
ইনিয়েস্তা রবিবারের ম্যাচে নেমেছিলেন বিরতির পর। তখন দল তিন গোলে হারছে। প্রথম ১১ মিনিটে তিনটে গোল খেয়েছে তারা! ইনিয়েস্তা বলেছেন, ‘‘প্রথমার্ধে আমাদের ডিফেন্স এবং মাঝমাঠের মধ্যে কোনও যোগাযোগ ছিল না। সেল্টা ভিগো উন্নত মানের ফুটবল খেলেছে। দ্বিতীয়ার্ধে আমরা চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু তখন দেরি হয়ে গিয়েছেল।’’
বার্সেলোনার তিনটে গোলই দ্বিতীয়ার্ধে। আর প্রত্যেকটি গোলের কারিগর সেই ইনিয়েস্তা! স্টেডিয়ামে উপস্থিত বার্সা সমর্থকদেরও হয়তো সেটা মনে ছিল না। তাঁরা প্রবলভাবে বিদ্রুপ করেন দলের জার্মান গোলকিপার টার স্টেগানকে! তিনিই শেষপর্যন্ত খলনায়ক হয়ে গেলেন! ২-৩ গোলে পিছিয়ে থাকা অবস্থায় জর্ডি আলবার দেওয়া একটি ব্যাক পাস পা দিয়ে ধরে বলটা স্টেগান সতীর্থ ডিফেন্ডারকে পাস দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু সেটা সেল্টার আগুয়ান স্ট্রাইকার হার্নান্দেজের পায়ে লেগে গোলে ঢুকে যায়!
সমর্থকদের প্রবল বিদ্রুপের মধ্যে দিয়ে মাঠা ছাড়ার পর তাঁদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন গোলকিপার। বলেছেন, ‘‘ওই ভুলটা না করলে হয়তো ম্যাচটা জিতেই ফিরতাম। দলের দুর্দান্ত লড়াই আমার জন্য ব্যর্থ হল।’’
বার্সার পরের ম্যাচ, চ্যাম্পিয়ন্স লিগে পেপ গুয়ার্দিওলার ম্যান সিটির বিরুদ্ধে। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, তার আগে রবিবারের বিপর্যয়ে বার্সা শিবিরে  নেমে এসেছে আতঙ্কের ছায়া!

Creative Hacks Tuesday, October 4, 2016
ইমরুলের ম্যাচ জিতে নিল ইংল্যান্ড

বিসিবি একাদশ : ৫০ ওভারে ৩০৯/৮
ইংল্যান্ড একাদশ : ৪৬.১ ওভারে ৩১৩/৬
ইংল্যান্ডকে হারিয়ে দেওয়ার আয়োজন ভালো ভাবেই করেছিল বিসিবি একাদশ। কিন্তু ৯ উইকেটে ৩০৯ রান করেও শেষ পর্যন্ত পারল না তারা। ইমরুল কায়েসের ৯১ বলে ১২১ রানের ইনিংসটি জয় মাখানো হল না। ইমরুলের বিস্ফোরক ইনিংসের পর ব্যাটসম্যানরা শেষ দিকে রান করেছেন কম। বোলাররা শুরুতে রান দিয়েছেন বেশি। পরেও তাই। দরকারের সময় ভাঙতে পারেননি অধিনায়ক জস বাটলার ও মঈন আলির জুটি। ষষ্ঠ উইকেটে ওভার প্রতি ৮.২৫ গড়ে ১৩৯ রান তুলেছেন তারা। তাতে ২৩ বল হাতে রেখেই ইংলিশ মঙ্গলবার ফতুল্লায় প্রস্তুতি ম্যাচটা জিতে নিল ৪ উইকেটে।
মঈন ৪৬তম ওভারে আউট হয়েছেন ৫১ বলে ৮ চার ও ২ ছক্কার ইনিংস খেলে। বাটলার ৬৪ বলে ৩ চার ও ৪ ছক্কায় ৮০ রানে অপরাজিত থেকেছেন। তারা জুটি বেধেছিলেন ১৭০ রানে ৫ উইকেট পড়ার পর, ২৯তম ওভারে। সানজামুল ইসলাম জুটিটা ভেঙেছেন ইংল্যান্ডের যখন বিসিবি একাদশের সমান ৩০৯ রান। আল-আমিন হোসেন ৯ ওভারে ৬৪ রানে ১ উইকেট পেয়েছেন। কামরুল ইসলাম রাব্বি ১ উইকেট শিকার করেছেন। তবে ১০ ওভারে ৭৪ রান দিয়ে সবচেয়ে খরুচে তিনি।
ইমরুল কায়েস ৮১ বলে সেঞ্চুরি করেছেন এর আগে। ১২১ রানে থেমেছেন। বিধ্বংসী ইনিংসে ১১টি চার ও ৬টি ছক্কা মেরেছেন। তিনি যখন আউট হলেন দল ১৯১ রানে। ৩ উইকেটে ওই রান বিসিবি একাদশের। কিন্তু শেষ ১০ ওভারে ৬ উইকেট হারানো দলটি তিনশ পেরোলেও আরো বড় কিছুর সম্ভাবনা বাস্তাবায়িত করতে পারেনি। হঠাৎ এই ম্যাচে খেলতে চেয়ে খেলেছেন মুশফিকুর রহিম। করেছেন ৫৭ বলে ৫১ রান। অধিনায়ক নাসির হোসেনের অবদান ৪৬। তরুণ নাজমুল হোসেন শান্ত করেছেন ৩৬ রান।
বড় টার্গেটের চ্যালেঞ্জ ছিল ইংল্যান্ডের সামনে। ৮ ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৬৫ রান তুলে ফেলে তারা। নবম ওভারে প্রথম বল হাতে পান ২২ বছরের ডান হাতি পেসার এবাদত। এই বছর পেসার হান্ট জেতা এবাদত নিজের প্রথম ওভারেই জ্যাসন রয়কে (২৮) তুলে নেন। তৃতীয় ওভারে শিকার করেন অন্য ওপেনার জেমস ভিন্সকে (৪৮)। পরে আর বল পাননি। এবাদতের বোলিং ফিগার প্রথম স্পেলের ওই ৫ ওভার, ১ মেডেন, ২৬ রানে ২ উইকেট। কোর্টনি ওয়ালশের সুপারিশে খেলতে নেমে আলি আহমেদ মানিক ৫ ওভারে ২৯ রান দিয়েছেন।
এবাদত ইংলিশ ঝড় থামানোর পর জনি বেয়ারস্টোকে (১১) বেশ এগোতে দেননি রাব্বি। এই সময়ের ইংলিশ সেনসেশন বেন ডাকেট (২৯) শুভাগত হোমের স্পিনের শিকার। বেন স্টোকসকে (২৮) তুলে নিয়েছেন জাতীয় দলে ফেরা আল-আমিন হোসেন। তাতে বেশ চাপে পড়লেও ইংলিশদের ব্যাটিং অর্ডার লম্বা বলে বিসিবি একাদশ খুব নিশ্চিন্ত ছিল না। কিন্তু মঈন ও বাটলার মিলে ঝড়ের মতোই তাদের হাত থেকে ম্যাচটা কেড়ে নিয়েছেন পরে। বাংলাদেশের জাতীয় দল নিশ্চয়ই এই ম্যাচের খবর রেখেছে। বোলিং-ব্যাটিংয়ে ইংলিশদের চ্যালেঞ্জটা যে অনেক বড় তা নিশ্চয়ই বুঝতে পারছে তারা।

Creative Hacks
সিলেট এম,সি কলেজ ছাত্রী খাদিজাকে কিভাবে কুপাচ্ছে বদরুল। ভিডিওতে দেখুন সরাসরি

সিলেটের সেই বিবেক নাড়িয়ে দেয়া ঘটনাটি সবার জানা । কি নিসংস্ব হতে পারে মানুষ । এদের ফাঁসি চাই । ভিডিও টি দেখতে চাইলে......
               এখানে ক্লিক করুন

Creative Hacks
প্রস্তুতি ম্যাচেও ব্যর্থ সৌম্য

২০১৫ বিশ্বকাপ থেকে সৌম্য সরকারের বৃহস্পতি ছিল তুঙ্গে। এখন সেই ওপেনিং ব্যাটসম্যানই পড়েছেন শনির কবলে। একের পর এক ব্যর্থতায় হতাশায় নিমজ্জিত হচ্ছেন। বলা হচ্ছিল, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে একদিনের প্রস্তুতি ম্যাচটা তার জন্য 'লাইফ লাইন'। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৩ ওয়ানডের মূল সিরিজে খেলতে যেটির ভূমিকা থাকার কথা। সেই পরীক্ষায় ফেল করেছেন সৌম্য। ফতুল্লায় আজ মঙ্গলবার চলমান প্রস্তুতি ম্যাচে বিসিবি একাদশের হয়ে ওপেন করে ব্যর্থ হয়েছেন। ১৩ বলে ৭ রান করেই ফিরেছেন।
আফগানিস্তানের মতো অপেক্ষাকৃত সহজ দলের বিপক্ষে ব্যর্থ হওয়ায় ২৩ বছরের সৌম্যকে নিয়ে প্রশ্ন। ওই সিরিজের শেষ ম্যাচে অফ স্টাম্পের বাইরের লাফিয়ে ওঠা বল অযথা খেলতে গিয়ে উইকেটের পেছেন ক্যাচ দিয়েছিলেন। ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামেও আজ উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়েছেন সৌম্য। পেসার ক্রিস ওকসের বলে ক্যাচ নিয়েছেন ইংলিশ অধিনায়ক উইকেটকিপার জস বাটলার। বিসিবি একাদশ ৩৫ রানেই হারিয়েছে প্রথম উইকেট। অধিনায়ক ইমরুল কায়েস ভালো ব্যাট করছিলেন।
আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৩ ম্যাচের প্রথমটিতে শূন্য রানে আউট হন সৌম্য। এরপর দ্বিতীয়টিতে ২০ ও শেষ ম্যাচে ১১ রান করেন। তার আগে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে সৌম্যকে ফর্মে দেখা যায়নি। তারো আগে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলেছেন ৭ ম্যাচ। কিন্তু রান করেছিলেন মোটে ৭১। ২১ ছিল সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। জাতীয় দলের অন্য ওপেনার তামিম ইকবাল দুরন্ত ফর্মে বলেই সৌম্যের ব্যর্থতা খুব বড় হয়ে ওঠেনি। তবে তার ব্যর্থতায় টাইগার দল কিন্তু নিয়মিত বিপদে পড়ছে। যেমন পড়ল আজ বিসিবি একাদশও।

Creative Hacks
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ইমরুল কায়েসের বিস্ফোরক সেঞ্চুরি

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে বিস্ফোরক এক সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন ইমরুল কায়েস। মাত্র ৮১ বলে সেঞ্চুরিতে পৌঁছেছেন ৯টি চার ও ৪টি ছক্কায়। এই ওপেনার সেই সাথে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে খেলার দাবিটাও জোরালো করেছেন। সৌম্য সরকার (৭) এই ম্যাচেও ব্যর্থ হয়েছেন। এই রিপোর্ট লেখার সময় ফতুল্লায় আগে ব্যাট করা বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৮.৫ ওভারে ৩ উইকেটে ১৯১। মাত্র ৯১ বলে ১১টি চার ও ৬টি ছক্কার মারে ১২১ রান করে আউট হয়েছেন ইমরুল মাত্রই।  টেস্টে নিয়মিত হলেও সীমিত ওভারের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দলে জায়গা নিশ্চিত থাকে না ইমরুলের। এটাকে তিনি মানেন দুর্ভাগ্য হিসেবে। আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৩৭ রান করেছিলেন। তামিম ইকবালের সাথে ৮৩ রানের জুটিতে প্রাথমিক ধাক্কা সামলেছিলেন। কিন্তু পরের দুই ওয়ানডেতে আর একাদশে রাখা হয়নি তাকে। অথচ তার আগেই গত নভেম্বরে বাংলাদেশের খেলা শেষ দুই ওয়ানডেতে ৭৩ ও ৭৬ রানের ইনিংস খেলেছেন। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তামিমের সাথে ওপেন করে শেষ ম্যাচ ১৪৭ রানের জুটিও গড়েছিলেন।   

Creative Hacks
বার্সার পরাজয় ও রিয়ালের ড্রয়ের সুবাদে লা লিগার শীর্ষে এ্যাথলেটিকো

 সেল্টা ভিগোর বিপক্ষে বার্সেলোনার ৪-৩ গোলের হার ও এইবারের সাথে রিয়ালের ১-১ গোলের ড্রয়ের সুবাদে লা লিগায় শীর্ষে উঠে এসেছে আরেক জায়ান্ট এ্যাথলেটিকো মাদ্রিদ। ইনজুরি আক্রান্ত লিয়নেল মেসির অনুপস্থিতিতে বার্সেলোনার উপর যেন চেপে বসে সেল্টা। পিওনে সিসটো, ইয়াগো আসপাসের গোলের পরে ও জেরেমি ম্যাথুর আত্মঘাতি গোলে প্রথমার্ধের ৩৩ মিনিটের মধ্যে ৩-০ গোলে এগিয়ে যায় সেল্টা। দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য জেরার্ড পিকে ও নেইমারের পেনাল্টির গোলে বার্সেলোনা দ্রুতই ম্যাচে ফিরে আসে। তবে ৭৭ মিনিটে পাবলো হার্নান্দেজের গোলে আবারো সেল্টা এগিয়ে গেলে বার্সেলোনার আর কিছুই করার ছিল না। ম্যাচের শেষের দিকে অবশ্য পিকের দ্বিতীয় গোল শুধুমাত্র ব্যবধানই কমিয়েছে। এদিকে সানতিয়াগো বার্নাব্যুতে পুচকে এইবারের সাথে ড্র করে রিয়াল মাদ্রিদ চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনার থেকে দুই পয়েন্ট এগিয়ে থাকলেও গোল ব্যবধানে এ্যাথলেটিকোকে টপকাতে পারেনি। ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে ২-০ গোলের জয়ের মাধ্যমে এ্যাথলেটিকো নগর প্রতিদ্বন্দ্বীদের টপকে লীগ টেবিলের শীর্ষে উঠে এসেছে। যদিও ম্যাচে এ্যাথলেটিকোর পক্ষে পেনাল্টির সুযোগ নষ্ট করেন এন্টোনিও গ্রিয়োজমান ও কেভিন গামেইরো। গত মৌসুমে বার্সেলোনার দায়িত্ব নেবার পরে এই সেল্টার কাছে ৪-১ গোলে বিধ্বস্ত হয়েছিল বার্সেলোনা। সেই দলের কাছেই আবারো পরাজয়ের তিক্ত স্বাদ নিতে হলো কাতালানদের। ম্যাচ শেষে এনরিকে বলেছেন, আমি মোটেই সন্তুষ্ট হতে পারছি না। কারন আন্তর্জাতিক বিরতির পরে শীর্ষে ওঠার সুযোগটা আমরা নিতে পারলাম না। প্রথমার্ধে আমরা একেবারেই খেই হারিয়ে ফেলেছিলাম। লিভারপুলের সাবেক স্ট্রাইকার আসপাসই ম্যাচের চেহার পাল্টে দেন। তার বাড়ানো বল থেকে সিসটো দারুনভাবে স্বাগতিকদের এগিয়ে দেন। এরপর আসপাস ব্যবধান দ্বিগুন করেন। তবে ড্যানিয়েল ওয়াসের ক্রস থেকে ম্যাথুর আত্মঘাতি গোল সেল্টাকে ম্যাচ জয়ে উৎসাহিত করে তুলে। দ্বিতীয়ার্ধে অভিজ্ঞ আন্দ্রেস ইনিয়েস্তাকে নামিয়ে খুব একটা ভুল করেননি এনরিকে। এটি ছিল বার্সেলোনার পক্ষে ইনিয়েস্তার ৬০০তম ম্যাচ। ইনিয়েস্তার ক্রস থেকেই পিকে সফরকারীদের পক্ষে গোলে সূচনা করেন। এরপর আন্দ্রে গোমেজকে ফাউলের সুবাদে প্রাপ্ত পেনাল্টি থেকে নেইমার ব্যবধান কমান। তবে বার্সেলোনার সব আশা ভঙ্গ করে দেন গোলরক্ষক আন্দ্রে টার স্টেগান। তার ভুলের সুযোগে হার্নান্দেজ স্বাগতিক পক্ষে চতুর্থ গোল করলে বার্সেলোনার ম্যাচে ফিরে আসার সম্ভাবনা ফিকে হয়ে যায়। ম্যাচ শেষের তিন মিনিট আগে পিকে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন। স্টপেজ টাইমে অবশ্য একটুর জন্য তার হেড গোলের ঠিকানা খুঁজে পায়নি। দিনের আগের ম্যাচে রিয়ালের বিপক্ষে প্রথম কোন গোলের সুযোগ মোটেই নষ্ট করতে চায়নি এইবার। ৬ মিনিটে ফ্রান রিকোর গোলে এগিয়ে যায় সফরকারীরা। কিন্তু ১৭ মিনিটে গ্যারেথ বেলের ৫০তম গোলে টানা চার ম্যাচে ড্র নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় রিয়ালকে। ২০০৬ সালে রিয়ালের খেলোয়াড় থাকা অবস্থায় এই একই অভিজ্ঞতা নিতে হয়েছিল রিয়ালকে। হাঁটুর ইনজুরির কারণে অনুপস্থিত থাকা লুকা মোদ্রিচের অভাব বেশ ভালভাবেই টের পেয়েছে রিয়াল। দিনের প্রথম ম্যাচে গ্রিয়েজমান ও গামেইরোর গোলে ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে পূর্ণ তিন পয়েন্ট নিয়েই মাঠ ছেড়েছে এ্যাথলেটিকো মাদ্রিদ। 

Creative Hacks Monday, October 3, 2016
ভারতের মাটিতে এলবিডব্লু’র নতুন রেকর্ড

এক টেস্টে সর্বোচ্চ এলবিডব্লু আউটের নতুন রেকর্ড হলো ভারতের মাটিতে। কিছুক্ষণ আগে শেষ হওয়া ভারত-নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার কলকাতা টেস্টে ১৫টি এলবিডব্লু'র আউট ঘটে। ফলে ১৯৯৬ সালে আহমেদাবাদে ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা টেস্টে ১৩টি এলবিডব্লু আউট হওয়ার রেকর্ড ভেঙ্গে যায়। তাই রেকর্ড বইয়ে সবার উপরে জায়গা করে নেয় ভারত-নিউজিল্যান্ডের কলকাতা টেস্ট। যে ম্যাচ ১৭৮ রানে জিতে সিরিজ জয় নিশ্চিত করে ফেলে টিম ইন্ডিয়া। কলকাতা টেস্টে ভারতের প্রথম ইনিংসে তিনটি, নিউজিল্যান্ডের প্রথম ইনিংসে পাঁচটি, ভারতের দ্বিতীয় ইনিংসে চারটি এবং নিউজিল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংসে তিনটি এলবিডব্লু আউট হয়। তবে আন্তর্জাতিক ম্যাচে সর্বোচ্চ ২০টি এলবিডব্লু আউটের রেকর্ড আছে। ২০১১ সালে গায়নায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ- পাকিস্তানের ম্যাচে এমন রেকর্ডের জন্ম হয়। 

Creative Hacks
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি নাও খেলতে পারে ভারত, হুমকি বোর্ড সভাপতির

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি নিয়ে আইসিসিকে ঘুরপথে চাপ বিসিসিআইয়ের। লোঢা কমিটির সুপারিশ কার্যকর হলে ২০১৭-তে হয় আইপিএল, না হলে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলবে ভারত। আজ সোমবার এমনটাই জানালেন বোর্ড সভাপতি অনুরাগ ঠাকুর।
বিসিসিআই সভাপতি অনুরাগ বলেছেন, লোঢা কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী একটি টুর্নামেন্ট শেষ হওয়া থেকে আরেকটি টুর্নামেন্ট শুরু হওয়া পর্যন্ত ১৫ দিন সময় থাকতে হবে। যা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাধ্যতামূলক। কিন্তু আইপিএল শেষ হবে মে মাসের শেষ সপ্তাহে। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি শুরু হবে জুনের প্রথম দিকে। ফলে দুটো প্রতিযোগিতায় খেলতে পারবেন না ভারতীয় ক্রিকেটাররা।
অনুরাগ লোঢা কমিটির সুপারিশকে ঢাল করলেও বিসিসিআই সূত্রে খবর, আসলে আইসিসির ওপর ঘুরিয়ে চাপ তৈরি করলেন অনুরাগ। তিন দিন আগে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড আইসিসির কাছে দাবি জানায়, পাকিস্তানের সঙ্গে তারা একই গ্রুপে খেলবে না। আজ অনুরাগের এই বক্তব্য স্পষ্ট করেছে, আইসিসি তাদের দাবি না মানলে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে না খেলার পথ খোলা রাখছে ভারত।

Creative Hacks
যেভাবে তৈরি হলেন আজকের জেমস

পুরো নাম ফারুক মাহফুজ আনাম জেমস। ছোট থেকেই হয়ত বাউন্ডুলেপনা পেয়ে বসেছিল তাকে। উত্তরবঙ্গের এই ছেলে নওগাঁর পত্নীতলায় জন্মগ্রহণ করেন। বাবা ছিলেন সরকারি চাকরিজীবী, সেই সূত্রে ছোটবেলা থেকেই দেশের বিভিন্ন জেলায় বাবার সাথেই ঘুরে বেড়াতে হতো। বাবা চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারমান হলেন আর তাকেও থাকতে হলো চট্টগ্রামে সেখান থেকে মাথায় উঁকি দিল নতুন পাগলামি। আর এই পাগলামিই আজ তাকে বিশ্বের মাঝে তুলে ধরেছে।
সংগীত নিয়ে পাগলামি যথারীতি শুরু হলো। মন কোনোদিকেই নেই সারাদিন হইহুল্লোড়। নাইনে পড়া অবস্থায় তার বাবা যখন বুঝলো ছেলের দ্বারা পড়াশোনা সম্ভব নয় তখন ঘর থেকে তাকে বের করে দেওয়া হলো। ঠাঁই হলো চট্টগ্রামের আজিজ বোর্ডিং এ। আর এই আজিজ বোর্ডিং হয়ে ওঠে তার গানের জগত। আজিজ বোর্ডিং জেমসের জীবনে বিশাল স্মৃতিময় রেখা আলোকপাত করে গেছে। যার কারণে জেমস এখনও স্মৃতিকাতর হন তার অতীতের সে সময়কে নিয়ে।
চট্টগ্রামের মায়া ছাড়তেই হয় জেমসকে। সেই মায়া না ছাড়লে জেমস মূলধারায় আসতে পারতেন না। তারকা হওয়ার জন্য জেমস কখনও গান করেননি, মনের তাগিদ থেকেই মিউজিক নিয়ে পড়ে থাকতেন দুষ্টু ছেলের দলের জেমস। সে সময় তিনি ইংরেজি কাভার গানগুলো করতেন। ৮৬ সালে ঢাকায় এসে প্রথম অ্যালবাম 'স্টেশন রোড' প্রকাশ করেন। এরপরই আসিফ ইকবালের লেখা 'অনন্যা' জেমসের প্রথম একক অ্যালবাম। যেটা বের হয় ১৯৮৭ সালে। যার প্রতিটি গানই অসাধরণ। বিশেষ করে 'অনন্যা' কিংবা 'ওই দূর পাহাড়ে' গানগুলো বুকের মাঝে সত্যিই কাঁপন জাগায়। তবে এই গান শুনে কারো পক্ষে ধারণা করা সম্ভব হবে না যে গানটি জেমস গাইছেন। তারপর 'জেল থেকে বলছি'।
জেমসের মিউজিক জীবন শুরু আশির দশকের একেবারে শুরুতে, চট্টগ্রামে। বাবার চাকরিসূত্রে চট্টগ্রামে চলে যান। কিন্তু বাবা যখন ঢাকা উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের ডিরেক্টর জেনারেল হয়ে চলে আসেন। জেমস থেকে যান চট্টগ্রামে। আজিজ বোর্ডিং এর 'বারো বাই বারো'র একটি ছোট্ট রুমে চলে সংগ্রামী জীবন। সামনের একটা রেস্টুরেন্টে খাওয়া-দাওয়া আর সন্ধ্যায় চলে যেতেন আগ্রাবাদের হোটেলে।
সেখানের নাইটক্লাবে বাজাতেন-গান করতেন। 'ফিলিংস' এর ভোকাল ছিলেন আরেক অসাধারণ প্রতিভাধর কণ্ঠের অধিকারী পাবলো। সে সময় ঘর ছাড়া জেমস ও 'ফিলিংস' ব্যান্ড যাদের অনুশীলন থেকে শুরু করে থাকা, খাওয়া সব হতো সেই 'আজিজ বোর্ডিং' এর এক কামরায়। সেই কামরায় তাঁদের কত বিনিদ্র রাত কেটেছে শুধু গান তৈরির নেশায়।
'ঝর্না থেকে নদী', 'স্টেশন রোড' অপূর্ব গানগুলোর মাঝে যেখানে জেমস এর নীরব হাহাকার, প্রেমের আকুতি, অন্যায়ের প্রতিবাদ সব কিছু ফুটে উঠেছে। ৯২ সালে জেমস ভালোবেসে মডেল ও অভিনেত্রী রথি কে বিয়ে করেন এবং ২০০১ সালে তাঁদের বিচ্ছেদ হয়ে যায় পরবর্তীকে বেনজীর কে বিয়ে করেন। 'জেল থেকে বলছি' নিয়ে আসা জেমস ও ফিলিংস আবার ঝলসানি দিয়ে ওঠে। সেটা ১৯৯৩ সাল। আবার জানান দেন জেমস আছেন।
অডিও বাজারে বড় ধরনের একটা ঝাকুনি দিয়ে 'জেল থেকে বলছি' নতুন প্রজন্মের শ্রোতাদের নিকট ভেরিয়েশন ইমেজ তৈরি করে ফেলে। এই সময়টাকে অডিও বাজারের চরম সফল যুগ বলা হয়। সংগীতবোদ্ধারা তাই বলে কেননা একই সাথে শীর্ষ আরো দুই শিল্পীর গান তখন দেশ মাতিয়ে রেখেছে। 'জেল থেকে বলছি' এক ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির করুন অনুভূতি ও আর্তনাদ জেমসকে নন মেটালিক আবেগী ধারার গায়ক হিসেবে পরিচিতি পেতে সহায়তা করে। ১৯৯৫ সালে জেমসের দ্বিতীয় একক বের হয়। 'পালাবে কোথায়' অ্যালবামের প্রিয় আকাশী গানটি জেমসকে আরো রহস্যময় করে তোলে।
আমার আকাশী
ফ্রান্কফুটের বইমেলায়
নতুন বইয়ের গন্ধে মনে পড়েছে তোমায়
ফ্লোরেন্সে সিসটাইন চ্যাপেলের-
মিকেলাঞ্জেলোর
মহান সৃষ্টির -’পিয়েতা’র সামনে দাঁড়িয়ে
তোমাকে মনে পড়েছে...
সেই বছরে প্রিন্স মাহমুদের প্রথম ব্যান্ড মিক্সড অ্যালবাম 'শক্তি' তে দুটি গান করেন। বাংলা ব্যান্ড জগতে নব্বইয়ের দশকের শুরু থেকেই জেমস এক উন্মাদনার নাম হয়ে ওঠে। কনসার্টে উন্মাদনা শুরু জেমস থেকেই। জেমস যখন দেশের সংগীতবাজারে আলোচিত নাম সেই সময় তার ভয়াবহ কিছু সমালোচক তৈরি হয়। বিরোধিতা করতে শুরু করে জেমসের গায়কীর ধরনকে। ৯৬ সালে সেই সব সমালোচকদের মুখে ছুড়ে মারেন 'মান্নান মিয়ার তিতাস মলম' অথবা কবি শামসুর রাহমানের 'সুন্দরীতমা আমার'। সুন্দরীতমা গানটি কবি শামসুর রাহমানের কবিতা থেকে করা গান যা জেমস অনুমতি নিয়ে করেন। 'আমি তারায় তারায় রটিয়ে দেবো' তখন পাড়া মহল্লায় বড় ছোট সকলের মুখে।
জেমস যে শুধু জেমস এই দুর্লভ সত্য প্রতিষ্ঠিত করেন 'দুঃখিনী দুঃখ করোনা'। এই অ্যালবাম এতটাই শ্রোতাপ্রিয়তা পায় যে ব্যান্ড বলতে যাদের নাক সিঁটকে যেত সেই মুরব্বিরাও মনোযোগ দিয়ে শুনলেন দুঃখিনী দুঃখ করোনা। প্রেমিক-প্রেমিকাদের মনে জেমস স্থান করে নেয়, স্থান করে নেয় পাড়ার রকের আড্ডাবাজদের মনে। অনেকেই বলেন এই অ্যালবামের 'যদি কখনও ভুল হয়ে যায়' গানটি জেমস এর সর্বকালের সেরা একটি গান কেন না এই গানে জেমস এর আবেগ এতটাই ভয়াবহ ছিল যে কোনো মানুষ এর চোখে জল আনতে বাধ্য করতো।
'লেইস ফিতা লেইস' অ্যালবামটি ব্যানারে সর্বশেষ অ্যালবাম। এই অ্যালবামের 'সিনায় সিনায় লাগে টান' গানটা শ্রোতাদের হৃদয়ের খুব গভীরে পৌঁছেছে। সেই সময়ের সেরা সব গীতিকার- লতিফুল ইসলাম শিবলী, বাপ্পি খান, দেহলভি, আনন্দ, তরুণ, মারজুক রাসেল, গোলাম মোরশেদ, প্রিন্স মাহমুদ ও জুয়েল-বাবুদের জেমস এর জন্য আলাদা ভাবে গান লিখতে হতো। কেননা জেমসের গানটা শুধুমাত্র সুর নির্ভর নয় তারচেয়ে বহুগুণ বেশি কথা নির্ভর।
জেমসের কিছু গান যেগুলো না উল্লেখ করলেই নয়। প্রিন্স মাহমুদের সুর ও সংগীতের মিক্সড অ্যালবাম এর 'বাংলাদেশ' (পিয়ানো), তাজমহল গড় (পিয়ানো), 'জানালা ভরা আকাশ' (শক্তি), 'আমি ও আঁধার' (শক্তি), 'শেষ দেখা' (শেষ দেখা), 'মা' (এখনও দু চোখে বন্যা), 'ফুল নিবে না অশ্রু নিবে' (দেয়াল), 'মন আমার পাথরের দেয়াল তো নয়' (দেয়াল), 'কিছু ভুল ছিল তোমার' (দাগ থেকে যায়)' নিষ্পাপ আমি' (স্রোত), স্যার (দীর্ঘশ্বাস) আত্মহত্যা পাপ (যন্ত্রণা), দহন অ্যালবাম। জুয়েল বাবুর সুর ও সংগীতে 'ওরে দেখে যারে তুই' (মেয়ে), 'পদ্ম পাতার জল' (ও আমার প্রেম), 'আরও কিছুক্ষণ রবে কি বন্ধু' (নীরবতা), সাদা কালো (নীরবতা), 'কিছুটা আশা তুমি রেখো” (নীরবতা), 'বর্ষা আমার চোখের প্রিয় ঋতু (সন্ধি), 'যত দূরে যাও বন্ধু আমার' (তারকা মেলা), লাকি আখন্দ এর সুর ও সংগীতে 'লিখতে পারি না কোন গান' (বিতৃষ্ণা জীবনে আমার), 'ভালবেসে চলে যেও না' (বিতৃষ্ণা জীবনে আমার), শফিক তুহিনের সুর ও কথায় শূন্য করে বুক, বৈশাখী ঝড়ে (সারেগামা) সহ আরও অনেক অনবদ্য অসাধারণ সব গান আজো সে যুগের এবং এ যুগের শ্রোতাদের মুখে মুখে ফিরে।
লতিফুল ইসলাম শিবলী, বাপ্পি খান, আসাদ দেহলভি, আনন্দ, তরুন, মারজুক রাসেল, গোলাম মোরশেদ লায়ন, প্রিন্স মাহমুদ ও জুয়েল-বাবু জেমস এর জন্য আলাদা ভাবে গান লিখতেন। যে গানের কথাগুলো ছিল একটার চেয়ে আরেকটা অসাধারণ সব কথায় ভরপুর যা একবার শুনে মন ভরতো না। আসাদ দেহলভীর সাথে সম্পর্কের টানাপড়েন পরে বিচ্ছেদ এই অভাব বুঝতে দেননি প্রিন্স মাহমুদ। আফসোসের ব্যাপার গোলাম মোরশেদ লায়ন এখন সংগীত থেকেই দূরে।
'জেমস' বাংলাদেশের সীমানা ছাড়িয়ে অন্য দেশেরও একটি প্রিয় গায়ক রূপে পরিচিত হয়েছেন। ২০০৬ সালে ভারতের বিখ্যাত ও জনপ্রিয় প্রযোজক, পরিচালক মহেশ ভাট এর 'গ্যাংস্টার' ছবিতে 'ভিগি ভিগি' গান দিয়ে হয়েছেন ভারতের কোটি জনতার প্রিয় শিল্পী। এরপর একই প্রযোজকের 'ওহ লামহে' 'মেট্রো' ছবিতেও কণ্ঠ দিয়ে চমকে দিয়েছেন পুরো ভারতকে। সর্বশেষ ওয়ার্নিং সিনেমায় টাইটেল সং 'বেভাসি' ধারাবাহিকতা ঠিক রাখার সাথে নিজের জনপ্রিয়তাকেও উর্ধ্বমুখী করছেন।
হিন্দি ছবির প্লে-ব্যাকে ধারাবাহিক সাফল্যের পর এবার জেমস ফিরছেন হিন্দি অডিও অ্যালবামের মধ্য দিয়ে। এরই মধ্যে মুম্বাই স্টুডিওতে রেকর্ড করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন নিজের জনপ্রিয় গানগুলোর হিন্দি ভার্সন, যা অনেক দিন ধরেই করার কথা চলছিল। যে গানের তালিকায় থাকছে মা, মীরা বাই, তেরো নদী সাত সমুদ্দুর, দুখিনি দুঃখ, যেদিন বন্ধু, জেল থেকে বলছিসহ জনপ্রিয় ১০টি গান।
আজকের বিশ্বতারকা জেমসের দুঃখ জেমসের সাফল্য বাবা-মা কেউই দেখে যেতে পারেন নাই। আর তাইতো তাঁর কণ্ঠে 'বাবা কতদিন দেখি না তোমায়' কিংবা 'মা' গানে এতটা দরদ ঝরে পড়েছে। দেশের সবধরনের শ্রোতাদের এই গান স্পর্শ করে যায় এখনও।



Creative Hacks Sunday, October 2, 2016
মাঠে ঢুকে পড়া সেই ছেলেটি মেহেদী হাসান

বাংলাদেশ বনাম আফগানিস্তানের তৃতীয় একদিনের আন্তর্জাতিকটি উত্তেজনা হারাচ্ছিল। এরই মধ্যে আফগানিস্তান সাতটি উইকেট হারানোয় এবং জয়ের লক্ষ্য থেকে অনেক দূরে থাকায় বিজয়ের ক্ষণ গুনছেন বাংলাদেশের সমর্থকেরা। রাত ন'টা বাজতে কয়েক মিনিট বাকী আছে। উনত্রিশতম ওভারের একটি বল করতে ছুটে আসছেন তাসকিন আহমেদ। টেলিভিশনে যারা খেলাটি উপভোগ করছিলেন, তারা দেখলেন, তাসকিন বল ছুড়বার মুহুর্তেই অপর প্রান্তে থাকা আফগান ব্যাটসম্যান রশিদ খান হাত তুলে তাকে থামালেন।
তারপরই টিভি ক্যামেরা ঘুরে গেল, মাঠের ভেতরে থাকা বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজার পানে ছুটতে থাকা এক ব্যক্তির দিকে। স্পষ্টতই তিনি খেলোয়াড় নন। তিনি কোন কর্মকর্তা কিনা, পোশাক দেখে বোঝা যাচ্ছিল না। কিন্তু এর পর ওই ব্যক্তিটি যেটা করলেন তা অভাবনীয়।
ব্যক্তিটি ছুটে গিয়ে মাশরাফিকে জড়িয়ে ধরলেন। মাশরাফিও কিছু বুঝে উঠতে না পেরে তাকে জড়িয়ে ধরলেন। ততক্ষণে সেখানে পৌঁছে গেছেন নিরাপত্তা কর্মীরা। তারা মাশরাফির ওই 'পাগল' ভক্তকে ছাড়িয়ে নিতে এগিয়ে যাচ্ছিলেন, কিন্তু হাত তুলে তাদের ঠেকালেন মাশরাফি।
আরো কিছুক্ষণ 'স্বপ্নের' নায়ককে জড়িয়ে থাকার সুযোগ পেল ভক্ত। তারপর মাশরাফি তাকে এগিয়ে নিয়ে গেলেন মাঠের বাইরের দিকে। তখনো নিরাপত্তা কর্মীরা তাকে ধরতে গেলে হাত তুলে তাদের ঠেকালেন এবং কিছু একটা বললেন। সম্ভবত বললেন, আমার এই পাগল ভক্তটিকে কিছু বলবেন না।
জানা গেছে মাশরাফির পাগল সেই ভক্তের নাম মেহেদী হাসান। তিনি রাজধানীর ইউনাইটেড ইন্টারন্যশানাল ইউনিভার্সিটির (ইউআইইউ) কম্পিউটার সায়েন্সের বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং-এর ছাত্র।  তাঁর ফেসবুক প্রোফাইল ঘেটে জানা গেছে, সাভারে বাড়ি মেহেদী হাসান মাশরাফি ও বাংলাদেশ দলের একজন পাগল ভক্ত। মাঠে খেলা দেখতে গিয়ে সেই ঘটনার পাঁচ ঘণ্টা আগেও নিজের ফেসবুকে একটি ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, 'Only Bangladeshi Tigers are real..... আজ জিতেই বাসায় ফিরবো ইনশাআল্লাহ।'    তিনি ও তাঁর কয়েকজন বন্ধুসহ শনিবার মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে খেলা দেখতে যান। তাঁর পোস্ট করা ছবিটিতে সেটাই দেখা গেছে।
মেহেদী হাসান নিয়মিতই মাঠে খেলা দেখতে যান।  তাঁর ফেসবুকে দেখা গেছে, গত বছরে ভারতের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের একটি ম্যাচ দেখতে গিয়ে গ্যালারিতে বসে অভিনেত্রী মৌসুমী হামিদের সাথে একটি ছবি তোলেন ।
এদিকে মেহেদী হাসানের মাঠে ঢুকে পড়ার ঘটনা ও মাশরাফির ভূমিকা ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।  সোশ্যাল মিডিয়ার আনাচে কানাচে ছড়িয়ে পড়েছে সেই ছবি ও ভিডিও ক্লিপ্স।  মাশরাফি খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন  তাঁর সেই পাগল ভক্তের যেন কোনো ক্ষতি না হয়।  
 লোকটা এসে জড়িয়ে ধরলো। বললো, ভাই, আমি একজন দর্শক। আপনার অনেক ভক্ত। এখানে আসলে কিছু করার ছিলো না। এমন ঘটনা ইউরোপ-আমেরিকাতে অহরহ হয়। এটা তেমন কিছু না। আমি চাইবো তার যেন কোন ক্ষতি না হয়।
নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়ে মাশরাফি বলেন আমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা অনেক ভালো। এটা তেমন কিছু নয়। ভক্তদের মাঠে ঢুকে পড়ার ঘটনা অনেক পুরনো। এ ধরণের ঘটনা সারা পৃথিবীতে ঘটে।

Creative Hacks
হাশিম আমলা বাদ! বিস্মিত সাবেক ক্রিকেটাররা!

হাশিম আমলা বাদ! বিস্মিত সাবেক ক্রিকেটাররা!

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে ওপেন করতে দেখা যায়নি হাশিম আমলাকে। অফিসিয়ালি কিছু বলা না হলেও জানা গিয়েছিল ফ্লু তে আক্রান্ত হয়েছিলেন আমলা। কিন্তু দ্বিতীয় ওয়ানডের একাদশে তার জায়গাই হলো না। দক্ষিণ আফ্রিকার টিম ম্যানেজম্যান্টের এই অদ্ভূত আচরণে বিষ্মিত বিশ্বের সাবেক ক্রিকেটাররা। ওয়ানডেতে বিশ্বের ৩ নম্বর এবং টেস্টে ৪ নম্বর ব্যটসম্যানকে বাদ দেওয়ায় টুইট করে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন সাবেক প্রোটিয়া অধিনায়ক কেপলার ওয়েলেস, সাবেক টেস্ট ব্যটসম্যান অ্যাশলে প্রিন্স এমনকী সাবেক অজি দলনেতা মাইকেল ক্লার্ক। ওয়েলেস বলেছেন, “হাশিম আমলা দক্ষিণ আফ্রিকার সেরা ক্রিকেটার। তার এভাবে বাদ পড়ায় আমি চরম বিস্মিত। কেউ আবার বলবেন না যে, আমলা একাদশে থাকার জন্য ফিট নয়। নিয়মিত ওয়ানডে অধিনায়ক এবি ডিই ভিলিয়ার্সের অনুপস্থিতিতে হাশিম আমলা দলের জন্য অপরিহার্য।” ৫৯ বছর বয়সী এই সাবেক গ্রেট বেশ ক্ষোভের সাথে বলেছেন, “আপনি নিশ্চয়ই বলবেন না যে যাদের হাশিম আমলার রিপ্লেসমেন্ট হিসেবে দেখা হচ্ছে তাদের একজনও আমলার চেয়ে অধিক যোগ্য। আসল কথা হলো, প্রথম ওয়ানডেতে রুশো-ডি ককের জুটির খেলা দেখে কেউ হয়ত আর আমলাকে মিস করছে না। কিন্তু এটা মোটেই বোর্ডের পেশাদারিত্বের পরিচয় নয়।” অ্যাশলে প্রিন্স বলেছেন, “আমি বিস্মিত! আমলা বিশ্বের সেরা ব্যাটসম্যানদের অন্যতম। তার ব্যাটিং গড় ৫১.৮৭। এছাড়া ১০০০, ২০০০ এবং ৩০০০ রানের মাইলফলকে পৌঁছতে তার রেকর্ডও আছে। তাকে বাদ দেওয়াটা মোটেই সঠিক সিদ্ধান্ত নয়।” প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক মাইকেল ক্লার্ক টুইটে লিখেছেন, “প্রতিটি দল ভিন্ন বলেই আমি জানি। কিন্তু কেন হাশিম আমলার প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকার এত উদাসীনতা কেন? দক্ষিণ আফ্রিকার উচিৎ হবে তাকে মাঠে নামানো 

Creative Hacks
ক্রিকেট মাঠে দর্শক ঢুকে পড়া নতুন কিছু না, ইংল্যান্ডেই ঘটে বেশি

ক্রিকেট মাঠে দর্শক ঢুকে পড়া নতুন কিছু না, ইংল্যান্ডেই ঘটে বেশি 


ক্রিকেট মাঠে দর্শক ঢুকে পড়া নতুন কিছু না, ইংল্যান্ডেই ঘটে বেশি
মে ২০০১। লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ড। ইংল্যান্ড-পাকিস্তান টেস্ট চলছে। এই সময় এক সুন্দরী বৃটিশ নারী দৌড়ে মাঠে ঢুকে পড়লেন। উর্ধাংশ নগ্ন। তার পেছনে নিরাপত্তাকর্মীরা। মনের আনন্দে ক্রিকেট স্বর্গে ছুটে চলা নারীকে মাঠ থেকে ধরে বের করে নেওয়া হলো। মিনিট দুয়েকের বাধার পর আবার আবার খেলা শুরু হলো। যেন কিছুই হয়নি! তা এমন ঘটনা তো ইংল্যান্ডের ক্রিকেট মাঠে হরহামেশাই ঘটে আসছে সেই সুদূর অতীত থেকেই। মাঠে 'পাগল' দর্শকের ঢুকে পড়া, বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই নগ্ন, তেমন কোনো ঘটনাই না ইংল্যান্ডে।
ইংরেজিতে এমন পাগল দর্শকের একটি নাম আছে। 'স্ট্রিকার্স'। তো শনিবার মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে একজন 'পাগল' দর্শক ঢুকে পড়েছিলেন মাঠে। আফগানিস্তানের বিপক্ষে শেষ ওয়ানডের শেষটায় উত্তেজনাহীন ম্যাচে উত্তেজনা এনে দিয়েছিলেন। টাইগার অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা সেই ভক্তের সাথে হাত মিলিয়ে, বুকে জড়িয়ে দারুণ ভাবে সামলেছেন পরিস্থিতি। তাঁর টানেই ওই ভক্তের ঢুকে পড়া। কিন্তু টাইমিংটা খারাপ হয়েছে! এমনটা কাম্য না মোটে। তার ওপর জঙ্গি জুজু চারদিকে। এর মধ্যেই ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলই এখন নানা কিছুর পর বাংলাদেশে। তাই মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ওই বাংলাদেশি ক্রিকেট ভক্তের কারণেই প্রশ্নের মুখে পড়ে গেছে। অন্য সময় হলে হয়ত এতটা আলোড়ন তুলত না বিষয়টি। ইংল্যান্ডের জন্য তো নয় মোটেই। কারণ, তাদের দেশের ক্রিকেট মাঠে এমন ঘটনা হরহামেশাই ঘটে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই মাঠে ঢুকে পড়েন পুরো নগ্ন ক্ষেপাটে দর্শক। 'স্ট্রিকার্স'।


বিশ্ব ক্রিকেট কিংবা খেলাধুলাতেও এ অনেক পুরনো ব্যাপার। এখানে বরং আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মাঠই থাকুক আলোচনায়। এই জুলাইয়ের ঘটনা। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট চলছে পাল্লেকেলে মাঠে। সেই মাঠে অস্ট্রেলিয়ান এক দর্শক 'নগ্ন দৌড়' দিয়ে জরিমানা গুনেছেন। স্থানীয় আদালত অ্যালেক্স জেমস নামের ওই ক্রিকেট ভক্তকে এক সপ্তাহের জেল দিয়েছে। সাথে জরিমানা করেছে ৩,০০০ রুপি। ২০১৫ বিশ্বকাপের ঘটনা। ক্রাইস্টচার্চে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে জয়ের পথে তখন ইংল্যান্ড। তাদের সাফল্য আগেভাগে উদযাপন করতে শুধু মাথায় ব্যান্ড বাধা এক ইংলিশ দর্শক মাঠজুড়ে দৌড়ে বেড়ালেন!
এমন 'স্ট্রিকার্স' এর অনুপ্রবেশ বড় বিব্রতকর ক্রিকেটারদের জন্য, আয়োজকদের জন্য, দর্শকদের জন্য। এদের অবশ্য কাউকে ক্ষতি করা ইচ্ছে থাকে না। থাকে মনোযোগ আকর্ষণের পাগলাটে ইচ্ছা।
ইংল্যান্ডের মাঠে বেশ কিছু বিখ্যাত ঘটনা আছে এমন। ২০০৫ অ্যাশেজ। লন্ডনের ওভালে ম্যাচ। একজন পুরো নগ্ন নারী মাঠে ঢুকে পড়লেন। পেছনে লেখা ছিল গোভেগ ডট কম। ক্রিকেট মাঠে প্রথম নগ্ন নারীর এই ভাবে ঢুকে পড়ার দেশও ইংল্যান্ড। ১৯৯৬ সালে লর্ডসে ইংল্যান্ড-পাকিস্তান প্রথম টেস্টের সময় মাঠজুড়ে দৌড়ে বেড়ালেন এমন একজন। ২০০৯ এ ওয়েলিংটনে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটসম্যান রস টেলরের সামনে গিয়ে দাঁড়ালেন এক অর্ধনগ্ন নারী ভক্ত। ক্রিকেটার লজ্জায় অবনত!

১৯৭০ এর সময়টাকে বলা হয় 'স্ট্রিকিংয়ের সোনালি যুগ'! তখন প্রায় নিয়মিত এমন দৃশ্য দেখা যেত। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে বিখ্যাত স্ট্রিকিং এর ঘটনা সম্ভবত ১৯৭৫ সালে ঘটেছে। হোম অব ক্রিকেট লর্ডসেই। একজন পুরো নগ্ন পুরুষ স্ট্রিকার দারুণ হাস্যরসের সৃষ্টি করেন ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া টেস্ট চলাকালে। ছুটতে ছুটতে প্রায় প্রত্যেক ফিল্ডারের কাছে গিয়ে হাসি দিয়েছেন তিনি। তারপর ব্যাটসম্যানের পাশ থেকে লাফ দিয়ে স্টাম্পের ওপর থেকে উড়ে গেছেন। এমন স্ট্রিকারদের অনেকেই অবশ্য পরে পেয়েছেন সেলিব্রেটি ইমেজ!


Creative Hacks
হারের স্মৃতি নিয়েই ভিগোর মুখোমুখি বার্সেলোনা বার্সেলোনা VS ভিগো

হারের স্মৃতি নিয়েই ভিগোর মুখোমুখি বার্সেলোনা
ঘটনাটা এখনো ভোলেননি লুই এনরিক। বার্সেলোনা কোচ দারুণ ধাক্কা খেয়েছিলেন গতবার বালাইদোসে গিয়ে। গত বছরের সেপ্টেম্বরে স্প্যানিশ লিগের সেই ম্যাচে সেল্তা ভিগোর কাছে ৪-১ গোলে হেরে গিয়েছিল কাতালানরা। আজ রবিবার আবার যখন ওই দলের বিপক্ষে সেই একই মাঠে মুখোমুখি দুই দল তখন বার্সেলোনার মনের কোনে উঁকি মারবে সেই দুঃস্মৃতি। বাংলাদেশ সময় রাত ১২টা ৪৫ মিনিটে এই ম্যাচ শুরু। স্প্যানিশ লিগে ৬ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে এখন তৃতীয় স্থানে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনা। তাদের চির শত্রু রিয়াল মাদ্রিদ ৬ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে। ১ ম্যাচ বেশি খেলা সেভিয়ার পয়েন্টও ১৪। রিয়াল টানা তিন ম্যাচ ড্র করেছে। এই ম্যাচে তারা হোঁচট খেলে এবং বার্সেলোনা জিতলে এই মৌসুমে প্রথমবারের মতো স্প্যানিশ লিগ টেবিলের শীর্ষে উঠে যাবে কাতালানরা। সেল্তার কাছে ওই হারের শোধটা অবশ্য এই বছরের শুরুতে নু ক্যাম্পে নিয়েছে বার্সেলোনা। ৬-১ গোলে ধসিয়ে দিয়েছিল সেল্তা ভিগোকে। তবু বার্সা কোচ এনরিক সতর্ক, "ওইদিকটো মনে রাখা ভালো। তাদের একই ম্যানেজার আছে। ফুটবলে যে কোনোকিছু ঘটতে পারে।" লিওনেল মেসি ইনজুরির কারণে এখনো মাঠের বাইরে। নেইমার ও লুই সুয়ারেসকে তাই তার অভাবটা বুঝিয়ে দেওয়ার কাজ করতে হচ্ছে। আর তা তারা খুব ভালোই করছেন। এই ম্যাচে নেইমার-সুয়ারেসের পার্টনার কে হবেন তা এনরিকের ভাবনায়। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচে বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের বিপক্ষে শুরু থেকে ছিলেন পাকো আলকাসের। ভ্যালেন্সিয়া থেকে বার্সেলোনায় আসার পর চার ম্যাচে একটিও গোল করতে পারেননি তিনি। ২৩ বছরের এই স্ট্রাইকারের অবশ্য সমালোচনা করছেন না কোচ। যা খেলছেন তাতেই খুশি এনরিক। 

Creative Hacks

Follow Us